চট্টগ্রামেও ঘটতে পারে লেবাননের মত বিস্ফোরণ – আনোয়ারা বাসীর পক্ষে: রফিক তালুকদার

নিজ প্রতিবেদক: মোঃ আফনান।    

সম্প্রতি লেবাননের  ঘটনা –
বৈরুত বিস্ফোরণে অ্যামোনিয়ার মজুদ ছিল ২৭৫০ টন। সে হিসেবে চট্টগ্রামে মজুদ অ্যামোনিয়া দ্বিগুণেরও বেশি। আর এসব ট্যাংকার বিস্ফোরিত হলে চট্টগ্রামে লেবাননের চেয়েও মারাত্নক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে ডিএপি প্লান্টে ৪টি বিশাল ট্যাংকারে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় মজুদ রয়েছে বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়া, তাতে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বৈরুতের মতো ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঘটাতে পারে ব্যাপক প্রাণহানী ও ক্ষয়ক্ষতি।

২০১৬ সালের আগস্ট মাসে এই প্লান্টে অ্যামোনিয়ার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ৫৫ জন গুরুতর আহত হয়। অনেক মানুষ ওই সময় শ্বাস নিতে না পেরে কর্ণফুলী নদীতে ঝাপ দিয়ে প্রাণে বাঁচে। মারা যায় নদী-পুকুরের অসংখ্য মাছ ও আশপাশের গাছপালা।
২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় গ্যাসের ঝাঁঝালো গন্ধে কারখানার ১০-১১ জন শ্রমিক ও আনসার সদস্য অজ্ঞান হয়ে পড়ে।কয়েক মিনিটের মধ্যে গ্যাস কর্ণফুলীর উত্তর পাড়ে চট্টগ্রাম নৌ ও বিমান বন্দর এবং চট্টগ্রাম শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নগরবাসী।

একইভাবে পাশ্ববর্তি কর্ণফুলী থানা, আনোয়ারা ও পটিয়া উপজেলার মানুষ গ্যাসের ঝাঁঝালো গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতেই আনসার সদস্যসহ গ্যাসে আক্রান্ত প্রায় ৫৫ জন নারী-পুরুষ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। 
প্লান্টের পাশেই রয়েছে কোরিয়ান ইপিজেড, মেরিন একাডেমিসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কর্ণফুলী টানেলের নানা স্থাপনা ও শিল্প কারখানা। নদীর উত্তর পাড়ে রয়েছে চট্টগ্রাম নৌ ও বিমান বন্দরসহ বিভিন্ন বাণিজ্য কেন্দ্র। যা অ্যামোনিয়ার ট্যাংক বিস্ফোরণের মতো ঘটনায় মাটির সাথে মিশে যেতে পারে বিস্তীর্ণ এলাকা ।

অতএব, ব্যাবস্থা নেওয়া হোক এখনই।
– চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিক গণের পক্ষে।

kutubdianews

দৈনিক কুতুবদিয়া নিউজ সর্বস্তরের খবর অনুসন্ধানে সত্য তুলে ধরবো আমরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: