প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ: ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম

কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত কুতুবদিয়া উপজেলার ১নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম ও সচিব ফরিদুল আলম চৌধুরী সহ অন্যান্য ইউপি সদস্য বৃন্দদের সেবা সংক্রান্ত বিগত কয়েকদিন আগে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে প্রকাশিত সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে একটি লেখিত বক্তব্য দিয়েছেন চেয়ারম্যান আবদুল হালিম। চেয়ারম্যান আবলুদ হালিম, তিনি বলেন- প্রিয় উত্তর ধূরুং বাসী, আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। গত কিছুদিন ধরে দেখতেছি ফেইসবুক, পত্রিকায়, সংবাদমাধ্যমে আমার পরিষদ নিয়ে লেখালেখির শেষ নেই।

প্রথমে বলব প্রত্যয়নের কথা। একটা প্রত্যয়ন টাইপ করে বের করার পর আবেদন ফরমের সাথে সংযুক্ত করতে অন্তত ০৫ মিনিট সময় লাগে। তারপর প্রত্যয়ন খানার ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, কোন ধরনের প্রত্যয়ন লিখে স্মারক নং, চেয়ারম্যান, মেম্বারের সীলমোহর দিতে আরো ০৫ মিনিট সময়ের প্রয়োজন। তারপর চেয়ারম্যান, মেম্বারের স্বাক্ষর নিয়ে অফিস কপি রেখে দেওয়ার পর যার প্রত্যয়ন তার হাতে তুলে দিতে ০৫ মিনিট সময়ের প্রয়োজন।

তাহলে একটা প্রত্যয়নের জন্য ১৫ মিনিট সময়ের প্রয়োজন। এক ঘন্টায় দেওয়া যায় ৪টি প্রত্যয়ন। অন্য সময় পরিষদ ০৯টা থেকে ০৫টা পর্যন্ত খোলা থাকলেও ভোটার কার্যক্রমের জন্য পরিষদ সকাল ০৮টা থেকে রাত ০৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তাহলে দিনে ১০ঘন্টায় প্রত্যয়ন দেওয়া যায় ৪০টি। কিন্তু একদিনে আবেদন জমা পড়ে ২০০টি বা তার চেয়েও বেশি। তাহলে একদিনের জমানো প্রত্যয়ন দিতে ৪ থেকে ৫ দিন তো লাগবেই। এমনকি পরিষদ ভোটার কার্যক্রমের জন্য শুক্রবারও সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

একটি ফেইসবুক পোস্টে দেখলাম যে, আবেদন ফরম নিতে কিনা ৫০-১০০ টাকা করে নিচ্ছে। কে নিচ্ছে বা কার থেকে নিয়েছে এমন প্রমাণ যদি কেউ দিতে পারেন তাহলে পরিষদ তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিবে। অন্যথায়, ফেইসবুকে অহেতুক বাজে পোস্ট করবেন না। উত্তর ধূরুং ইউনিয়ন নয়, কুতুবদিয়া নয়, বরং সারা বাংলাদেশেই একই অবস্থা বিরাজমান। পরিশেষে এটাই বলতে চাই, কেউ গুজবে কান দিবেন না।

চেয়ারম্যানের এই প্রতিবাদী লেখিত বক্তব্য দেখে “দৈনিক কুতুবদিয়া নিউজ” এর সম্পাদক মোঃ সাগর, উত্তর ধূরুং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফরিদুল আলম চৌধুরীকে কল দিয়ে বর্তমান পরিষদের সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজকে আমরা প্রায় ৭০০ (সাত’শ) ফ্রী প্রত্যয়ন দিয়েছি। তার মধ্যে রয়েছে ভূমিহীন সনদ, রোহিঙ্গা নই মর্মে প্রত্যয়ন, স্থানান্তর প্রত্যয়ন এবং সময়মত ভোটার হতে পারেনি এই মর্মে প্রত্যয়ন দিয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন যে, গত কিছু দিন আগে উত্তর ধূরুং ইউনিয়ন পরিষদ দ্বারা আমাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ তুলেছে একি পরিষদের প্রতিবেশী একজন সংবাদকর্মী, ( ওরফে মুন্সি), এর করা প্রতিবেদন একবারে ভিত্তিহীন। এসব উদ্দেশ্য প্রনোদিত কর্মকান্ড বলে আমি মনে করি। যেহেতু অতিরিক্ত টাকা নিয়েছি এমন কোনো প্রমাণ নেই। যদিও এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারে তাহলে আমি এর জন্য আইনগত যে শাস্তি প্রদান করবে তা ভোগ করে যাবো। এগুলো করে শুধু শুধু মানুষকে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

Copyright© by Kutubdia News

kutubdianews

দৈনিক কুতুবদিয়া নিউজ সর্বস্তরের খবর অনুসন্ধানে সত্য তুলে ধরবো আমরা

Leave a Reply

x
%d bloggers like this: